সংবাদ সম্মেলনে মো. মহসীন বলেন, ‘এজেন্টদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে হুমকি দেয়া হচ্ছে; তারা যেন এজেন্ট না হয়, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যেন তারা কাজ না করে। যদি তারা ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট হিসেবে যায়, তাদেরকে বাড়িছাড়া করবে বলে হুমকি দেয়া হচ্ছে। বেশ কয়েকজন এজেন্ট জানিয়েছেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না পেলে তারা ভোটকেন্দ্রে যাবে না।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় নারী ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। বোরকা খুলে তাদেরকে বস্ত্রহীন করে রাস্তায় ঘোরাবে এ ধরনের ভয়-ভীতি তারা দেখাচ্ছে। এগুলো স্পষ্টত মৌলিক মানবাধিকার পরিপন্থি কাজ। ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোটকেন্দ্রে যাবে, এটা আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই। যে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে এগুলো খুবই আপত্তিকর। আমরা জানি জোনায়েদ সাকি মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন। এখানে মানবাধিকার রইলো কই? নারী অধিকার নিয়ে উনি কথা বলেন, নারীদের সম্মান রইলো কই?’
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই জানিয়ে জামায়াতের প্রার্থী মো. মহসীন আরও বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের কাছে যে অভিযোগগুলো দিয়েছি, সেই অভিযোগগুলোর দৃশ্যমান কোনো ফল আমরা পাইনি। দৃশ্যমান ফল পেলে আমরা ধরে নিতাম লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে। যেহেতু দৃশ্যমান ফল আমরা পাইনি, আশঙ্কা তো থেকেই যায়।’
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।





