পটুয়াখালিতে তরমুজের বাম্পার ফলন; লাভের প্রত্যাশা চাষিদের

পটুয়াখালী
তরমুজের চাষে লাভবান চাষীরা
কৃষি , গ্রামীণ কৃষি
এখন জনপদে
0

তৃষ্ণা মেটাতে মৌসুমি ফলের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তরমুজ। উপকূলীয় অঞ্চল পটুয়াখালিতে এবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি তরমুজ চাষ হয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে তরমুজ উৎপাদনে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার প্রত্যাশা কৃষকদের।

কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী,গলাচিপাসহ আশপাশের এলাকায় নভেম্বর মাসে আগাম তরমুজ এবং জানুয়ারির মাঝামাঝিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ হয়। এবার কাঙ্ক্ষিত ফসল উৎপাদনে সন্তুষ্ট কৃষকরা। রমজানে ভোক্তা পর্যায়ে বেশ চাহিদা থাকায় মাঠে বসেই তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হাজারো কৃষক।

তরমুজ চাষিরা জানান, এ বছর তরমুজ চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন তারা। তাছাড়া বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাভও হচ্ছে। এদিকে মাঠের পর মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে পরিপক্ক ও সুস্বাদু তরমুজ। কাঙ্ক্ষিত ফসল কাটা ও পরিবহনে ব্যস্ত শ্রমিকরা।

আরও পড়ুন:

এখানকার তরমুজ সুস্বাদু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে পাইকাররা মাঠ থেকে তরমুজ ক্রয় করছেন। পাইকারা জানান, তরমুজ কেনার সময় ভালোভাবে কিনতে পারলে ভালো দামে বাজারে বিক্রি করা যায়।

কৃষি অধিদপ্তরের দিকনির্দেশনায় এবছর বিভিন্ন জাতের তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে কৃষকরাও কোটি টাকা আয় করতে পারবেন বলে জানান কৃষি অধিদপ্তর।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘অগ্রিম যে তরমুজটা বাজারে ‍ওঠে তার জন্য কৃষকেরা দাম পাচ্ছেন। আর আবহাওয়া যেহেতু ভালো আছে, তাই কৃষকদের সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি তারা ঠিক মতো সার ও পর্যাপ্ত যত্ন করতে পারে তাহলে তাদের লাভবান হওয়ার কথা।’

কৃষি অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।

জেআর