লিচুর মুকুলে মৌমাছির ভিড়; ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ত মৌয়ালরা

ঠাকুরগাঁও
ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু বাগানে ‘মৌ বাক্স’
কৃষি , গ্রামীণ কৃষি
এখন জনপদে
0

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু বাগানগুলোতে মধু সংগ্রহ করতে মৌয়ালরা বসিয়েছেন ‘মৌ বাক্স’। সেখান থেকে দলে দলে মৌমাছির ঝাঁক বসছে লিচুর মুকুলে। এরই মধ্যে অনেক চাষি শেষ করেছেন মধু সংগ্রহ। মুকুল থেকে মধু সংগ্রহের শেষ সময়ে বর্তমানে ব্যস্ত মধু চাষিরা। এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি মধু উৎপাদন হবে।

গাছের নিচে সারিবদ্ধ করে রাখা মৌ-বক্স। এর মধ্যেই প্রতিবছরের মতো গোবিন্দনগর এলাকার লিচু বাগানে মৌয়ালরা এসেছেন মধু সংগ্রহ করতে। শুধু গোবিন্দনগর নয়, জেলার বিভিন্ন এলাকার লিচু বাগানে মুকুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন মৌয়ালরা। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা বিক্রি করেন বলে জানান মৌয়ালরা।

মৌয়ালদের আগমনে স্থানীয় অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে। বাগানের খাঁটি মধু পেতে স্থানীয়রাও ছুটে আসছেন মধু নিতে। এখানের মধুতে কোনো ভেজাল নেই তা ছাড়া বাজারের চেয়ে অনেক কম দামে মধু পাওয়া যায় বলে জানান স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:

পরাগায়নের ফলে লিচুর ভালো ফলন পাওয়ার পাশাপাশি রোগ বালাইও কমবে। আবহাওয়া খারাপ না হলে চাহিদার তুলনায় বেশি মধু উৎপাদন হবে বলে মনে করেন কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।

ঠাকুরগাঁও কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, মৌ চাষের ফলে পরাগায়ন ঘটছে, ফলে ফলন উৎপাদন বেশি হচ্ছে।’

মৌ চাষের মাধ্যমে লিচুর ফলন বৃদ্ধি হলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলার কৃষি বিভাগ।

জেআর