নিহতরা হলেন— ওই গ্রামের মিরাজ হাওলাদারের স্ত্রী নুপুর (৩০) এবং তাদের দুই বছরের ছেলে শাহাদাৎ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার এলাকায় বয়ে যাওয়া দমকা হাওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের একটি তার ছিঁড়ে স্থানীয় ওই পুকুরের পানির ওপর পড়ে ছিল। বিষয়টি পরিবারের কেউ জানতেন না। আজ বিকেলে নুপুর তার শিশু সন্তান শাহাদাৎকে সঙ্গে নিয়ে ওই পুকুরে গোসল করতে নামেন। পুকুরের পানি আগে থেকেই বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকায় পানিতে নামা মাত্রই মা ও ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে স্বজনরা পুকুরে মা-ছেলের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মাসুদুর রহমান জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার অনেক আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত নুপুরের দেবর সাইফুল হাওলাদার বলেন, ‘এটি একটি দুর্ঘটনা। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দাফন করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি।’
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’




