নিহত ছাত্রীর নাম ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭)। সে স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত লিলি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে সে খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রী প্রধান সড়কের এল ব্লকের প্রীতম ভিলার একটি বাসায় ভাড়া থাকত।
নিহতের বড় বোন শোভা জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের বাবা-মা গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) গ্রামের বাড়িতে যান। এদিকে তাদের একটি হোটেলের ব্যবসা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে খাবার নেওয়ার জন্য হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় এলে লিলি তার সঙ্গে কিছুটা খারাপ ব্যবহার করে। আজ দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় আসে।
এদিকে শোভা দুপুর দেড়টার দিকে জিমনেসিয়ামে যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলেন। জিম থেকে ফিরে তিনি দেখেন গেট লাগানো থাকলেও ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো।
শোভা জানান, বাসার ভেতর লিলিকে কুঁকড়ানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে মাথায় আঘাত পেয়েছে ভাবলেও পরে হিজাব খুলে দেখি গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা। আমাদের হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপরই আমাদের সন্দেহ হচ্ছে।
ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিকেলের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফরাজী হাসপাতাল থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে গিয়ে দেখি লিলির গলা কাটা। এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।’





