বিকেলের দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এসময় তিনি জানান, তেলের সংকটের কথা ছড়িয়ে একটি মহল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। অনেকেই এতে শঙ্কিত হয়ে তেলের মজুদ করছেন, কেউ কেউ মজুদ করা তেলে চড়া দামে বিক্রি করছেন। সলিমপুরের জব্দ ডিজেলও সেই লক্ষ্যেই মজুদ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
যদিও জেলা প্রশাসন জানায়, অবৈধভাবে তেল মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে এবং এ পর্যন্ত তেল মজুদ ও জব্দের ঘটনার ৯৭টি মামলা হয়েছে। সেই সঙ্গে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় স্থান থেকে আরও কয়েক হাজার টন অকটেন ও ডিজেল উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার উদ্ধার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান। অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।





