পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে বুড়িচং পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় মাহির শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় একই সম্প্রদায়ের জহিরুল ইসলাম আপন ওরফে জহির।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মাহিকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।
চিকিৎসকরা জানান, মাহিরের শ্বাসনালীসহ শরীরের প্রায় ৪৪ শতাংশ পুড়ে যায়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের দাবি, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকার সরকারি জায়গায় কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নিহত মাহিও এর আগে মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছিলেন। সম্প্রতি মাদকের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা কামরুল হক ফরহাদ বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর পুলিশ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত জহির এখনো পলাতক রয়েছেন।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ পর্যন্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি জহিরকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’




