অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের পাঁচ টাকা মূল্যমান নোটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ মিমি দৈর্ঘ্য ও ৬০ মিমি প্রস্থ। নোটের সামনের অংশের বাঁ পাশে তারা মসজিদ, ঢাকার ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি। নোটের পেছনের ভাগে গ্রাফিতি-২০২৪-এর ছবি ছাপা হয়েছে।
নোটে জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখের নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপ ‘৫’ ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম রয়েছে। এটিতে হালকা গোলাপি রঙের আধিক্য রয়েছে।
এছাড়াও নোটের বাঁ দিকে বিদ্যমান দুই মিমি চওড়া নিরাপত্তা সুতা কাগজের ভেতরে প্রবিষ্ট, যা আলোর বিপরীতে ধরলে দুই দিক থেকেই দেখা যায়। নোটের সামনের অংশে নিচের গিলোশ প্যাটার্নের উপরের অংশে মাইক্রোপ্রিন্টে আনুভূমিকভাবে অসংখ্য ‘বাংলাদেশ’ মুদ্রিত রয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, গভর্নর মোস্তাকুর রহমান স্বাক্ষরিত নোটও বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকার নোট ছাড়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কার্যালয়েও মিলবে এসব নোট।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, পরবর্তী সময়ে ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা মূল্যমানের নোটও গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষরে ছাপানো হবে।
চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর টাকার নকশা থেকে বাদ পড়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন নকশায় মুদ্রা ছাপানো শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার।
ছবি বাদ দিয়ে ১০০০, ৫০০, ১০০, ৫০, ২০ ও ১০ টাকা মূল্যমানের নতুন নকশার নোট বাজারে আসে গভর্নর আহসান হাবিব মনসুরের স্বাক্ষরে।
বাজারে থাকা এসব কাগুজে নোটের মধ্যে ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকায় মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষরে পুনঃমুদ্রণ হলো। আগের নকশায় ছাপানো হওয়ায় কেবল স্বাক্ষরই বদলেছে। নোটের রং, নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য, আকৃতি আগের মতোই রয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে নতুন নকশায় এখনো ছাপানো হয়নি ১, ২ টাকা মূল্যমানের নোট।





