২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমতে পারে: আইএমএফ

প্রতীকী (এআই জেনারেটেড)
অর্থনীতি
0

ব্যাংক খাতে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, মূলধনী বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে আরও উদ্বেগজনক পূর্বাভাস দিলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আন্তর্জাতিক এই অর্থায়নকারী সংস্থাটির মতে, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসতে পারে মাত্র ৩ দশমিক ২ শতাংশে। অন্যদিকে, নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন জ্বালিয়ে গড় মূল্যস্ফীতি ঠেকতে পারে প্রায় ১১ শতাংশে।

আজ (মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর) ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সম্মেলনে আইএমএফের প্রকাশিত সবশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’- এসব তথ্য উঠে আসে।

নিত্যপণ্যের বাজারের ঊর্ধ্বগতিতে এমনিতেই হাঁসফাঁস সাধারণ মানুষের জীবন। এর ওপর যোগ হয়েছে বিনিয়োগে স্থবিরতা আর ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা। এই জটিল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনভিত্তিক ঋণদাতা সংস্থা আইএমএফ জানালো আরও এক নতুন দুঃসংবাদ।

সংস্থাটির ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়াতে পারে মাত্র ৩ দশমিক ২ শতাংশে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম সর্বনিম্ন। অথচ মাত্র কয়েক মাস আগে এপ্রিলেও ৪ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা দেখিয়েছিলো সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:

আইএমএফ বলছে, এ বছর গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াতে পারে রেকর্ড ১০ দশমিক ৯ শতাংশে। তবে অর্থমন্ত্রী বলছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকার। বছর শেষে অর্থনীতির মানদণ্ডগুলো মানুষের সামনে উন্মোচিত হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করতে বিশ্বব্যাংক প্রস্তুত আছে বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এডিবি কিংবা বিশ্বব্যাংকের মতো বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর চেয়েও বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সতর্ক আইএমএফ। ভারতের ৭ শতাংশ কিংবা ভুটানের প্রায় ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির এই ধীরগতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ চিন্তার খোরাক যোগাচ্ছে।

এসএইচ