আজ (রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে দেশে কার্যরত সব মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠান ও তফসিলি ব্যাংক প্রধানের কার্যালয়ের উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পিটুপি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দৈনিক সীমা ও সংখ্যা হবে যথাক্রমে ১ হাজার টাকা ও ১০টি; মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং ইউটিলিটি বিলের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত লেনদেনের বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।
এছাড়া অন্যান্য সব ধরনের এমএফএস লেনদেন বর্ণিত সময়কালে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে বলেও এ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নির্বাচন উপলক্ষে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রতিটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারকে নিজস্ব কুইক রেসপন্স সেল গঠন করতে হবে।
চিঠিতে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠান ও তফসিলি ব্যাংক প্রধানদের উল্লেখ করা এ সময়ে সব ধরনের লেনদেন এমএফএস প্রোভাইডার কর্তৃক সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণের (ক্লোজ মনিটরিং) আওতায় আনার নিদের্শনা দেয়া হয়। সেইসঙ্গে সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে বলেও নির্দেশ দেয়া হয়।
এছাড়া উল্লিখিত সময়ে পি-টু-পি ইন্টারনেট ব্যাংকিং (আইবিএফটি এর মাধ্যমে লেনদেন) সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়,
এমএফএস প্রোভাইডার ও ব্যাংকসমূহ নির্বাচন কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
বর্ণিত সময়সীমার পর স্বাভাবিক লেনদেন যথারীতি পুনর্বহাল হবে বলেও এ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।





