ভারত থেকে এই ডিজেল পাঠানোর পাম্পিং কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখা এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে।
এর আগে, গত রোববার জ্বালানি সংকট মেটাতে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন দিয়ে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় এ জ্বালানি তেল পাঠাচ্ছে ভারত।
আরও পড়ুন:
এদিকে কাতারের রাস লাফটান বন্দর থেকে প্রায় ৬৩ হাজার টন এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ভিড়েছে জাহাজ লুসায়েল। মধ্যপ্রাচ্য সংকট শুরুর পর কাতার থেকে আসা এটি এলএনজির তৃতীয় চালান।
কাল আসবে সাড়ে ৫৭ হাজার টনের আরেকটি চালান। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসা জাহাজ ‘এমটি লিয়ান হুয়ান হু’ বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়বে দুপুরে।





