শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজকের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের নেতৃত্বে দিবে। তাই আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সমাজসেবা ও জাতিগঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ডিনস এওয়ার্ড অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পুরস্কার। কারণ এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায়িত্ব রয়েছে ভালো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেয়া। কারণ এই স্বীকৃতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের অনুপ্রাণিত করবে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলবে। এটা শুধু নিজের জন্য নয় বরং সমাজের জন্যও কাজে লাগবে।’
এসময় এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এবছর শিক্ষাখাতে জিডিপির দুই ভাগ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বাজেট বরাদ্দের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানবসম্পদ যা গড়ে তুলেন শিক্ষকরা। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা অপরিহার্য। সেজন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতকে (টিভেট) বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মত ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হলো। আজ মোট চারটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি অনুষদভূক্ত ৩৮টি বিভাগ ও ২টি ইন্সটিটিউটের ১০৪ জন শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।





