বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৩ জন শিশু হামের চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাম আক্রান্ত উপসর্গের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে বেড সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগীরা।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছে ৯ জন আর মারা গেছে একজন।’
আরও পড়ুন:
তিনি জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যায় রহিমা মাদারীপুর জেলার ঝাউদি সদর উপজেলার বাসিন্দা। গত ২৭ শে মার্চ হামে হামের উপসর্গ নিয়ো হাসপাতালে ভর্তি হয়। ৫ দিন চিকিৎসা শেষে গতকাল বিকালে শিশুটি মৃত্যু বরণ করেন।
জেলার এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও জানান, যে সব রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে তাদের মেডিকেল টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।





