অর্থনৈতিক সংকট ঘুচবে, বাড়বে কর্মসংস্থান—নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা কানাডা প্রবাসীদের

কানাডার একটি জায়গার ছবি
প্রবাস
0

দেশের সুনাম বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে নতুন সরকার বদ্ধপরিকর থাকবে বলে মনে করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এতে অর্থনৈতিক সংকট যেমন ঘুচবে তেমনি বাড়বে কর্মসংস্থান। স্বাস্থ্যসেবা, আইটিসহ কারিগরি বিভিন্ন কাজে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

দায়িত্ব নিয়ে পুরোদমে দেশ গঠনের কাজে মনোযোগী বিএনপি সরকার। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই কাজ করছে নতুন মন্ত্রিপরিষদ।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নতুন সরকার ও বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধিতে প্রবাসী বাঙালিরা হতে পারেন বড় নিয়ামক। এছাড়া দক্ষ জনবল আর ভাষাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শ্রমবাজারে যোগ করা যেতে পারে আরও বৈচিত্র্য।

টরেন্টো ইনফিনিটি স্পোর্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানিম চৌধুরী বলেন, ‘কানাডাসহ অন্যান্য যে ডেভেলপড দেশ রয়েছে, সেগুলোতে ট্রেড স্কিল এবং ল্যাঙ্গুয়েজ প্রশ্ন থাকে। সেই অনুযায়ীই আমাদের বর্তমানে যে ট্রেইনিংগুলো রয়েছে, সেগুলো ডিজাইন করতে হবে।’

প্রবাসী শিশুসাহিত্যিক জগলুল হায়দার বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী শ্রমবাজারকে আরও বেশি ভার্সেটাইল করতে হবে এবং বিদ্যমান বাজারগুলোতে আরও বেশি কর্মসংস্থানের অনুসন্ধান করতে হবে।’

আরও পড়ুন: ইরান ইস্যুতে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-তেহরান উত্তেজনা

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বলছে; দক্ষতা ও ভাষার সক্ষমতা এখন বিদেশে চাকরিতে নিয়োগের অন্যতম শর্ত। ফলে বাংলাদেশের জনশক্তিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা সময়ের দাবি।

কানাডায় বাংলাদেশি প্রবাসী প্রকৌশলী মো. শাহাজাহান বলেন, ‘সনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যাতে তারা দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম বয়ে আনতে পারে।’

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। তাদের একটি বড় অংশকে আন্তর্জাতিক চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিলে নতুন বাজার উন্মুক্ত হতে পারে।

নির্বাচিত সরকারের আমলে এখন কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়ে নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জোর দাবি উঠেছে।

বর্তমানে বিভিন্ন দেশে প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশির বাস। বিশ্ব ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এসএইচ