আন্তন সিলুয়ানভ জানান, ২০২২ সালে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর পরও পরের দুই বছর অর্থনৈতিক গতি অব্যাহত ছিল। এমনকি পশ্চিমা দেশের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েও সচল ছিল রাশিয়ার অর্থনীতির চাকা। তবে চলতি বছরে তা অনেকটা হোঁচট খেয়েছে।
আরও পড়ুন:
তিনি জানান, শ্রম সংকট ও মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলায় উচ্চ সুদের হারের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে অভ্যন্তরীণ অনেক কর্মকাণ্ড। এছাড়া রেকর্ড সামরিক ব্যয়ও এর জন্য দায়ী।