ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, এসব মাইনের কারণে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা কৌটার মতো দেখতে বস্তুগুলো থেকে দূরে থাকতে জনগণকে সতর্ক করেছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ছবি বিশ্লেষণ করা চারজন গোলাবারুদ বিশেষজ্ঞের মতে, এগুলো যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি বিএলইউ-৯১/বি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন। সাধারণত ‘গেটর’ মাইন ছড়ানোর ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমান থেকে এসব মাইন ফেলা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ, যার কাছে এই ব্যবস্থা আছে বলে ধারণা করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিগুলো দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শিরাজের কাছাকাছি তোলা। ওই স্থানটি ইরানের কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এসব এলাকায় প্রায়ই চলমান ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান মোতায়েন থাকে; তাদের চলাচল বা প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত করতে মাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
আরও পড়ুন:
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অস্ত্র বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান কাস্টনার বলেন, ‘স্থলমাইনগুলো সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে বানানো হলেও বেসামরিক মানুষের জন্য এগুলো চরম বিপজ্জনক হতে পারে।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ) টেলিগ্রামে জানায়, ‘কৌটার মতো দেখতে বিস্ফোরক বস্তুতে’ অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা সতর্ক করে বলেছে, কোনো ধাতব পাত্র অস্বাভাবিক, ক্ষতিগ্রস্ত বা বিকৃত মনে হলে সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।
অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান তদারককারী ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।





