ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, হামলায় ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া উন্মুক্ত উৎসের ছবি ও তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। অন্যদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই হামলায় ১২ জন সেনা আহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আগের এক হামলায় ওই মার্কিন ঘাঁটিতে পাঁচটি রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ঘাঁটিতে হামলার বিষয়ে পেন্টাগন কোনো মন্তব্য করেনি।
গতকাল (শুক্রবার, ২৭ মার্চ) পরে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দেশটির দিকে আসা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিয়ে সতর্কতা জারি করে। সংযুক্তআরব আমিরাত এক বিবৃতিতে বলা হয়, শোনা শব্দগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করার ছিল এবং যুদ্ধবিমানগুলো ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন উড়োজাহাজ (ইউএভি) প্রতিহত করার ফল।
আরও পড়ুন:
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পর ধ্বংসাবশেষ পড়ে আবুধাবিতে দুটি স্থানে আগুন লাগে। কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো থেকে দূরে থাকতে জনগণকে বলেছে।
গতকাল (শুক্রবার, ২৭ মার্চ) বাহরাইনেও ইরানের হামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আঘাত পেয়ে একটি স্থাপনায় আগুন লেগেছে।
এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) উপসাগরীয় অঞ্চলে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী মোতায়েন আছে, সেসব এলাকার কাছাকাছি বেসামরিক লোকজনকে সরে যেতে সতর্ক করে একটি বিবৃতি দেয় বলে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।
সেই সতর্কবার্তায় আইআরজিসি দাবি করে, ইরানি হামলার ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী বেসামরিক মানুষকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। একই সঙ্গে তারা বলেন, ‘মার্কিন সন্ত্রাসী বাহিনীকে নির্মূল করার দায়িত্ব পালনের সময় বেসামরিকদের যেন যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী থাকা এলাকা এড়িয়ে চলেন।’





