দুই দিন আগে এই ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। পরে তারা এই বিশেষ উড়োজাহাজ এবং আরও কয়েকটি জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) উড়োজাহাজ ধ্বংস করার ঘোষণাও দেয়।
এদিকে ইরান শুক্রবার দাবি করে, সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি উড়োজাহাজে বড় ধরনের ক্ষতি করেছে।
ভারতের এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে হয়। ইরানের প্রেস টিভি প্রকাশিত ছবিতে উড়োজাহাজটির দেহাংশ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে; কেবল সামনের অংশ ও লেজের অংশ অক্ষত আছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, হামলায় ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৯টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হামলায় একাধিক রিফুয়েলিং উড়োজাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বর্তমানে ১৬টি সচল ‘বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি’ বা এডব্লিউএসিএস উড়োজাহাজ আছে; এই উড়োজাহাজটি ধ্বংস হয়ে থাকলে সংখ্যা কমে ১৫টিতে নামতে পারে। ফ্লাইটের তথ্য পর্যালোচনা করে বিবিসি বলেছে, হামলার আগে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অন্তত ছয়টি এডব্লিউএসিএস উড়োজাহাজ মোতায়েন ছিল।
ইরানের প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসি দীর্ঘপাল্লার ও মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং আক্রমণ ড্রোন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করেছে। ইরান আরও দাবি করেছে, তারা একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে আঘাত করেছে।





