ভূপৃষ্ঠ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে মহাকাশযানে চেপেই সতীর্থদের ইস্টার সানডের শুভেচ্ছা জানালেন আর্টেমিস-২ মিশনে থাকা নভোচারীরা। রয়টার্সের ফুটেজে ধরা পড়েছে সেই আনন্দঘন মূহুর্তের চিত্র।
সবাইকে ইস্টারের শুভেচ্ছা। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ভালোবাসার শিক্ষা আমরা যীশুর কাছ থেকেই শিখেছি।
নিয়ন্ত্রণকক্ষে বসে নভোচারীদের প্রতি মূহুর্তের আপডেট রাখছে নাসার বিজ্ঞানীরা। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে যাচ্ছেন চারজন। টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে নাসা জানিয়েছে, সোমবার নভোচারীরা পৃথিবী থেকে রেকর্ড দূরত্বে পৌঁছাবে ও পাঁচ দশকেরও বেশি সময় আগে গড়া অ্যাপোলো ১৩ মিশনের রেকর্ড ভেঙ্গে দিতে পারবে।
মার্কিন মহাকাশ সংস্থার পূর্বাভাস, পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করবে আর্টেমিস- ২ মিশনের নভোচারীরা। যা আগের অ্যাপোলো মিশনের চেয়ে ৪ হাজার মাইল বেশি।
আরও পড়ুন:
তবে চন্দ্রাভিযানে গেলেও কৃত্রিম উপগ্রহটিতে সরাসরি পা রাখছেন না নভোচারীরা। বরং তারা ভবিষ্যৎ গবেষণা এগিয়ে নিতে চাঁদের নিকটবর্তী স্থান প্রদক্ষিণ করবে। কিন্তু কৃত্রিম উপগ্রহটির পেছনের অংশ প্রদক্ষিণের সময় ৪০ মিনিট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবেন তারা। কেননা এই সময় চাঁদের অবস্থান মহাকাশযান ও পৃথিবীর মধ্য বরাবর থাকবে। যা রেডিও ও লেজার সংকেত পৌঁছাতে বাধা দেবে।
এর আগে ৫০ বছর আগে অ্যাপোলো মিশনের নভোচারীরা চন্দ্রাভিযানের সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে নিঃসঙ্গতার অভিজ্ঞতা পেয়েছিল। সবশেষ ১৯৬৯ সালে নভোচারী নীল আমর্স্ট্রং ও বাজ অলড্রিন চাঁদের মাটিতে প্রথম পদচিহ্ন রেখে ইতিহাস গড়েন।
প্রায় ৫৪ বছর গেল পহেলা এপ্রিল ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশে যাত্রা করে আর্টেমিস- ২ মিশনের নভোচারীরা।





