১৯৮১ সালের ৩০ মার্চ হোটেলের ভেতরে একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা শেষে নিজের লিমুজিন গাড়িতে ফেরার পথে রিগ্যানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিলেন জন হিঙ্কলি জুনিয়র। রিগ্যান সেই যাত্রায় বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। একটি বুলেট প্রেসিডেন্টের লিমুজিন গাড়িতে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি তার পাঁজরে আঘাত হানে এবং একটি ফুসফুস ফুটো করে দেয়। রিগ্যানকে দ্রুত জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল এবং তিনি দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হন।
তবে সেই হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন তৎকালীন হোয়াইট হাউস প্রেস সচিব জেমস ব্র্যাডি। মাথায় গুলি লাগায় তিনি মস্তিষ্কের স্থায়ী সমস্যায় ভোগেন এবং জীবনের বাকি সময় পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় কাটান। ২০১৪ সালে তার মৃত্যুর পেছনে ওই ক্ষতগুলোকেই কারণ হিসেবে দেখা হয়। এছাড়া হামলায় একজন সিক্রেট সার্ভিস সদস্য এবং স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তাও আহত হয়েছিলেন।
হামলার পর হিঙ্কলিকে ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ সাব্যস্ত করে জেল থেকে খালাস দিয়ে ওয়াশিংটনের একটি মানসিক হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০১৬ সালে তিনি সেখান থেকে মুক্তি পান। আজও হোটেলের দেয়ালে একটি স্মারক ফলক ১৯৮১ সালের সেই রক্তক্ষয়ী ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। ৪৪ বছর পর আজকের হামলার ঘটনা রিগ্যান যুগের সেই ভয়ংকর স্মৃতিকেই নতুন করে উসকে দিলো।





