নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও দলীয় কার্যালয়ে হামলা সংক্রান্ত একটি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে শুনানি করতে আজ (বৃহস্পতিবার, ১৪ মে) আদালতে উপস্থিত হন মমতা। তাকে আইনজীবীর পোশাকে দেখে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিসিআইয়ের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি শ্রীমন্ত সেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য তলব করা হয়।
বিসিআইয়ের চিঠিতে বলা হয়, ২০১১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মতো একটি সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই দীর্ঘ সময়ে তার ওকালতির নিবন্ধন স্থগিত ছিল কি না কিংবা সম্প্রতি তিনি পুনরায় পেশায় ফেরার আবেদন করেছেন কি না, তা দাপ্তরিক নথির ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন।
আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে বা অন্য কোনো পেশায় নিযুক্ত থাকলে তার ওকালতি করার লাইসেন্স স্থগিত রাখতে হয়। পুনরায় এই পেশায় ফিরতে চাইলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তা সক্রিয় করার নিয়ম রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগে গত ১২ মে আদালতে একটি মামলা করেন আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলার শুনানির জন্যই প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে হাজির হয়েছিলেন মমতা।





