গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন হামলায় নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ঐ হামলায় গুরুতর আহত হন তার ছেলে মুজতবা খামেনি। বাবার মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতার স্থলাভিষিক্ত হন মুজতবা। তবে আহত হওয়ার পর থেকেই আত্মগোপনে ইরানের নতুন এই কাণ্ডারি। গোপনেই চলছে তার চিকিৎসা।
জরুরি প্রয়োজনে দূতের মাধ্যমে খবর আদান-প্রদান করেন মুজতবা খামেনি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যেকোনো আলোচনার দিক-নির্দেশনাও দেন তিনি। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এ কাজ করেন শীর্ষ নেতার আস্থাভাজন বার্তা বাহকরা। তাই যোগাযোগে সময় লাগছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। এমনটাই অভিযোগ মার্কিন গোয়েন্দাদের।
আরও পড়ুন:
ওয়াশিংটন বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তি আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছেন তেহরানকে, তখন তা শীর্ষ নেতা মুজতবা খামেনির কাছে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগছে। প্রস্তাব পর্যালোচনা করে ফের মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের মাধ্যমে জবাব জানাতে অতিরিক্ত সময় নিচ্ছেন তিনি।
সিবিএস নিউজ বলছে, নিরাপত্তার কারণে ইরানের অনেক নেতা বাঙ্কার কিংবা সুরক্ষিত স্থানে লুকিয়ে রয়েছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তারা কারো সাথে কথা পর্যন্ত বলেন না, বিশ্বস্ত নেটওয়ার্কের বাইরে নেই কোন যোগাযোগ। দীর্ঘ দিন তারা সূর্যের আলো থেকেও বঞ্চিত বলে দাবি সংবাদ মাধ্যমটির।





