যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা পর্যায়ক্রমে এখন ৩০০ জন আছে, জুনের পর ইনশাআল্লাহ আমরা ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে পর্যায়ক্রমে দেবো। আমরা খেলোয়াড়দেরকে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ আমরা যেই ক্রীড়া ভাতা প্রদান করেছি, পাশাপাশি আমরা ক্রীড়া কার্ডও প্রদান করেছি। ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে আমরা সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’
স্পোর্টস ট্যুরিজমের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় একটি আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ‘যেহেতু আমরা স্পোর্টস ট্যুরিজমকে গুরুত্ব দিচ্ছি, তো আমার মনে হয় যে, চট্টগ্রাম জেলার জন্য বা চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য আমরা এখানে একটি খুব তাড়াতাড়ি আমরা একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কার্যক্রম শুরু করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আগামী জাতীয় শিক্ষাক্রমে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি খেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ‘মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য আমি মনে করি খেলাধুলার কোন বিকল্প নাই।’
খেলোয়াড়দের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও কাজ করছে সরকার। স্পোর্টস কার্ডধারীরা ভবিষ্যতে বীমা সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন। খেলা চলাকালীন কেউ আহত হলে চিকিৎসা ও ইনস্যুরেন্স সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক আরও বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস হচ্ছে অবকাঠামো না, আমরা মূল ফোকাস হচ্ছে আমাদের ক্রীড়াবিদ। তাদেরকে যত বেশি সুযোগ-সুবিধা দিবো, তারা আমাদেরকে অনেক বেশি সাফল্য এনে দিবে, অনেক বেশি পদক এনে দিবে। আমরা খেলোয়াড়দের ইনস্যুরেন্সের মাধ্যমে তাদের খেলা চলাকালীন সময় যদি তারা কোন ইনজুরিতে পড়ে, তাতে যাতে তারা ইনস্যুরেন্স কাভার করে যাতে তারা একটা সহযোগিতা পায়, সেটারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।’





