গরমে নাভিশ্বাস। একটু ছায়ার খোঁজে পার্কে, কুলিং স্টেশনে জড়ো হচ্ছে মানুষ। জুনের শেষভাগে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের জেরে ইউরোপের বেশিরভাগ অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবন ওষ্ঠাগত।
গেল ২০ থেকে ২৮ জুন ইউরোপের বেশকিছু অঞ্চলে স্থায়ী হওয়া তাপপ্রবাহকে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী হিট ওয়েভ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সপ্তাহজুড়ে ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশে তাপমাত্রা কোথাও কোথাও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। যা আগামী সপ্তাহেও অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস আছে।
আরও পড়ুন:
প্রাণঘাতী এই তাপপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে ফ্রান্সে। ২ হাজারের বেশি মৃত্যু ঘটেছে সেখানে। আর বেলজিয়ামে প্রায় ১,২০০ জনের প্রাণহানি রেকর্ড হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৫ থেকে ৮৫ বছর বয়সীদের সংখ্যাই বেশি। এমন প্রেক্ষাপটে জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারির কথা ভাবছে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো। হিট স্ট্রেসে ভোগা হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বয়স্ক ব্যক্তি এবং শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
ইউরোপের বাড়িঘর ও স্কুলগুলো এমন তীব্র গরম সহ্য করার উপযোগী করে তৈরি করা হয় না। প্রচণ্ড তাপদাহে অনেক স্কুল বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে। মারাত্মক চাপ পড়েছে বিদ্যুৎ পরিকাঠামোতে।
তীব্র তাপমাত্রার কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়া ও ট্রেন বিকল হয়েছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অনেক উন্মুক্ত অনুষ্ঠান ও কনসার্ট বাতিল করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন জানিয়েছে, ইউরোপ এখন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা মহাদেশ। বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় মহাদেশটির তাপমাত্রা প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে।





