আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

খামেনির জানাজায় জনতার ঢল
বিদেশে এখন
0

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনে অন্তত ৩ হাজার মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা করা হচ্ছে। গোপন চিঠির ভিত্তিতে এ খবর জানিয়েছে জার্মানের সংবাদমাধ্যম ওয়েল্ট। হুড়োহুড়ি, তীব্র গরম ও পদ-দলনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারেও বলে মনে করছেন অনেকে। তবে এরইমধ্যে পরিস্থিতি সামালাতে প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান।

প্রয়াত শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে ইতিহাসে সর্বোচ্চ জনসমাগম হতে যাচ্ছে ইরানে। ধারণা করা হচ্ছে, দেড় থেকে ২ কোটি মানুষ অংশ নেবেন ঐতিহাসিক এই আয়োজনে।

বিশাল এই আয়োজন ঘিরে নেয়া হয়েছে সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি। সোমবার থেকে পুরোপুরি আকাশসীমা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত তেহরানে। এছাড়াও ইরাক ও ইরানের বড় শহরগুলোর যানবাহন চলাচলেও রয়েছে বিধিনিষেধ।

তবে এতোসবের মাঝেও খামেনির জানাজা নিয়ে এবার ফাঁস হলো গোপন চিঠি। আনুষ্ঠানিকতার ৭ দিনে মৃত্যু হতে পারে পনেরশো থেকে তিন হাজার মানুষের। জার্মান সংবাদমাধ্যম ওয়েল্টের বরাত দিয়ে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল। তেহরানের পক্ষ থেকে পাঠানো গোপন এক চিঠির ভিত্তিতে খবর প্রকাশ করেছে ওয়েল্ট।

আরও পড়ুন:

যেখানে বলা হয়েছে, খামেনির জানাজা ঘিরে তৈরি হতে পারে ব্যাপক হট্টগোল। এতো মানুষের ভিড়, তীব্র গরম, হুড়োহুড়ি ও পদ-দলনে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে। এরইমধ্যে ইরানের রেডক্রস এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এ বিষয়ে ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফকে এ নিয়ে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। ভিড়ে কেউ হারিয়ে গেলে তাদের সন্ধানে কিংবা মৃত্যু হলে তাদের পরিচয় শনাক্তে খোলা হয়েছে বিশেষ ইউনিট।

ইতিহাস বলছে, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির জানাজায় ব্যাপক ভিড়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন শতাধিক মানুষ। এছাড়া ২০২০ সালে বিপ্লবী গার্ডের প্রধান কাসেম সোলাইমানির জানাজায় পদদলিত হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ৫৬ জনের। আহত হয় দুই শতাধিক।

ইএ