দেড় কোটি বছর ধরে একই সুরে হাসছে মানুষ ও শিম্পাঞ্জি!

গবেষণা বলছে মানুষ ও শিম্পাঞ্জির হাসির ছন্দ একই
বিদেশে এখন
0

দেড় কোটি বছরেরও বেশি সময় ধরে হুবহু একই মৌলিক ছন্দে হাসছে মানুষ এবং গ্রেট এপ জাতীয় প্রাণী- শিম্পাঞ্জি, ওরাংওটাং কিংবা গরিলা। মানুষ এবং নরবানর গোত্রের প্রাণিদের স্বতঃস্ফূর্ত হাসি নিয়ে এমন অভূতপূর্ব এক তথ্য হাজির করেছে ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। এই গবেষণার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হচ্ছে বাকশক্তির বিবর্তনগত উৎস।

হাসতে নাকি জানে না কেউ, কে বলেছে ভাই? এই শোন না, কত হাসির খবর বলে যাই। যদিও কবি নন, হাসির নতুন এক খবর নিয়ে এসেছে যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী।

চারটি ওরাংওটান, দুটি গরিলা, তিনটি বোনোবো, চারটি শিম্পাঞ্জি সঙ্গে মানব শিশুর হাসির ধরণ, মৌলিক বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি তুলনা করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, বিবর্তনের দেড় কোটি বছর পরেও মানুষ ও গ্রেট এপ বা নরবানরদের হাসির মধ্যে আছে ভয়াবহ মিল। গবেষণায় আরও প্রমাণ মিলেছে মানুষ, ওরাংওটাং, শিম্পাঞ্জি, বোনোবো ও গরিলা এই ৫ গোত্রের প্রাণীই সমান সময়ের ব্যবধানে ছন্দময় বিরতি দিয়ে হাসে।

দুটি প্রধান কারণে বিভিন্ন গ্রেট এপ এবং মানুষের হাসি নিয়ে গবেষণা করেছি। প্রথমত, হাসি সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বোঝা। পাশাপাশি এর উৎস, গঠন এবং বিবর্তনের সাথে সাথে হাসি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে তা বের করা।

আরও, বিস্ময়কর তথ্য আনুমানিক দেড় কোটি বছর আগেও গ্রেট এপ বা নরবানর একই মৌলিক ছন্দে হাসতো। এর থেকে আরও স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাকশক্তির বিবর্তনগত উৎস।

যদিও বুদ্ধিতে এগিয়ে থাকায় মানুষের হাসির কারণ এপদের চেয়ে আলাদা। পাশাপাশি মানুষ পরিস্থিতি অনুযায়ী হাসির সামঞ্জস্য করতে পারে, যা অন্য প্রাণীরা পারে না। কিন্তু মানুষের হাসির ধরণ, বৈশিষ্ট্য, নরবানর বা গ্রেট এপদের সঙ্গে মিলে যায়। এটি ইঙ্গিত করে বাকশক্তির বিবর্তনগত পরিবর্তনে এপদের সঙ্গে মানব সভ্যতার একটি নিবিড় যোগাযোগ আছে।

ইএ