ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছিলেন, সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের এই কেন্দ্রীয় বিষয়টি ইউক্রেন এবং তার অংশীদাররাই সিদ্ধান্ত নেবে, রাশিয়া নয়।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই মন্তব্যকে ইউক্রেন সংকট নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর ‘ডেড-এন্ড পজিশন’ বা অচলাবস্থার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার অংশগ্রহণ ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চয়তা তৈরি করা অসম্ভব। ইউরোপীয়রা যদি সত্যিই এই অবস্থানে অটল থাকে, তবে তা মীমাংসা প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকেই পুরোপুরি নাকচ করে দেয়।’
ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়ার ভবিষ্যৎ হামলা থেকে সুরক্ষা পেতে পশ্চিমাদের কাছ থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রয়োজন। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অঞ্চল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পেসকভ রাশিয়ার ‘ম্যাক্স’ মেসেজিং অ্যাপের মালিকানা প্রতিষ্ঠান ভিকে-র ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নিষেধাজ্ঞা আরোপকে ‘চরম অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন। সমালোচকদের অভিযোগ, রুশ কর্তৃপক্ষ এই অ্যাপটিকে নজরদারির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তবে ক্রেমলিন তা অস্বীকার করেছে। ইইউ বলছে, এই অ্যাপ তৈরির মাধ্যমে ভিকে নাগরিক সমাজ ও গণতান্ত্রিক বিরোধীদের দমনে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।





