‘ডব্লিউএইচও’ বৃহস্পতিবার জানায়, গত সপ্তাহে কঙ্গো ইবোলা টিকার বৈশ্বিক মজুত থেকে ‘এরভেবো’ ছাড়ের অনুরোধ করেছিল। টিকাটি সরবরাহবিষয়ক ‘ইন্টারন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটিং গ্রুপ (আইসিজি)’ এই মজুত পরিচালনা করে।
সংস্থাটি বলেছে, বরাদ্দ ৭০ হাজার ডোজের মধ্যে ২০ হাজার ডোজ ব্যবহার করা হবে শেষ ধাপের একটি ট্রায়ালে। লক্ষ্য হলো, বুন্ডিবুগিও ভাইরাসের ক্ষেত্রে টিকাটির প্রভাব বোঝা।
চলমান প্রাদুর্ভাবের কারণ বুন্ডিবুগিও প্রজাতির ইবোলা। ‘ডব্লিউএইচও’ বলেছে, এ ধরনে অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই। সংস্থাটি জানিয়েছে, মানুষের ক্ষেত্রে ‘এরভেবো’ বুন্ডিবুগিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে কি না, তা নিশ্চিত নয়। নতুন প্রমাণ পেতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল জরুরি বলেও উল্লেখ করেছে তারা। ‘এরভেবো’ টিকাটি ইবোলার তুলনামূলক বেশি দেখা যায় এমন ‘জাইরে ইবোলাভাইরাস’ ধরন প্রতিরোধে অনুমোদিত।
কঙ্গো সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে নিশ্চিত ইবোলা রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। কঙ্গোর ১৭তম ইবোলা মহামারি জুলাইয়ের শেষ দিকে রোগীসংখ্যার হিসাবে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাবে পরিণত হয়। মৃত্যুর সংখ্যা এখন ২ হাজার ৩৭৮, যা ২০১৮–২০২০ সালের আগের সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাবের মৃত্যুসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
এ সপ্তাহের শুরুতে ‘ডব্লিউএইচও’-এর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাব এখনো বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা।
‘আইসিজি’ হলো ‘ডব্লিউএইচও’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ’, ‘মেদসাঁ সঁ ফ্রঁতিয়ের’ এবং ‘ইউনিসেফ’-এর অংশীদারত্ব।





