এমএসএফ প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ এলকো ব্রুমেলম্যান, মালয়েশিয়া মিশনের রিজিওনাল হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স লিড আনা আনসারি এবং বাংলাদেশ মিশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাডভাইজার ইমামুর রহমান।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশে এমএসএফ-এর কার্যক্রম এবং চলমান সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।
এমএসএফ উল্লেখ করে যে, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য পরিচালিত কার্যক্রমের বাইরেও তাদের কাজের পরিধি বিস্তৃত। সংস্থাটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও সেবা প্রদান করে থাকে, এমনকি তাদের কোনো কোনো চিকিৎসা কেন্দ্রে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর রোগীর সংখ্যা প্রায় সমান।
সাক্ষাৎকালে বর্তমান অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলোর মধ্যে জাতীয় কলেরার টিকাদান কর্মসূচি এবং চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। ভূমিকম্প ও রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে এমএসএফ সরকারের দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক টাস্কফোর্সে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে।
এছাড়া, জরুরি বিষয়ক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ডিএমসিএইচ) সঙ্গে তাদের বিদ্যমান সহযোগিতার বিষয়টিও তারা তুলে ধরেন।





