এরমধ্যে আছে ৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউজ, আর ৪টি রেস্তোরাঁ। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানতে চেয়েছে, নোটিস দেয়ার পরেও কেন এসব স্থাপনাগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উপযুক্ত জবাব দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
অগ্নি-সুরক্ষা ব্যবস্থা না রাখায় ‘ফায়ার অ্যাক্ট’ আইনের ৩৭-এ ধারা অনুযায়ী এসব অনিয়মের তদন্ত হচ্ছে। এদিকে, কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে শিখ ইন হোটলে আগুনে পুড়ে প্রাণ হারানো ৭ বাংলাদেশির মরদেহ আগামীকালের মধ্যে দেশে পাঠানোর তথ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
এরমধ্যে কয়েকটি সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার একই পরিবারের ৪ সদস্যের মরদেহ দেশে আনা হবে আজই। তবে এই ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।





