জাতিসংঘের মহাসচিব পদে আলোচনায় আট নাম, এগিয়ে রদ্রিগেস-রেবেকা

জাতিসংঘের লোগো
বিদেশে এখন
0

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ায়, নতুন শীর্ষ নেতৃত্ব বেছে নিতে ব্যস্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলো। এরই মধ্যে উঠে এসেছে বিভিন্ন দেশের ৮ প্রার্থীর নাম। তবে নিরাপত্তা পরিষদের দুই দফা প্রাথমিক ভোটাভুটি শেষে এগিয়ে আছেন ক্যারোলিন রদ্রিগেস বার্কেট ও রেবেকা গ্রিনস্প্যান। নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটি শেষে অনুমোদনের জন্য প্রার্থীদের নাম সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে। আগামী বছরের পহেলা জানুয়ারি জাতিসংঘের ১০তম মহাসচিব হিসেবে গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত হবেন নির্বাচিত প্রার্থী।

জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে প্রায় এক দশক দায়িত্ব পালনকালে ইউক্রেন, গাজা ও ইরান যুদ্ধের মতো অনেক ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনের স্বাক্ষী হয়েছেন আন্তোনিও গুতেরেস। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে তার দায়িত্বের মেয়াদ।

একের পর এক যুদ্ধ, সংঘাত আর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই জাতিসংঘের নতুন শীর্ষ নেতৃত্ব বেছে নিতে ব্যস্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলো। শুক্রবার (২১ আগস্ট) প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে দ্বিতীয়বারের মতো একটি প্রাথমিক ভোটে অংশ নেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা। এতে শীর্ষে উঠে এসেছে জাতিসংঘে নিযুক্ত গায়ানার স্থায়ী প্রতিনিধি ক্যারোলিন রদ্রিগেস বার্কেটর নাম।

এরপর আছেন কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বর্তমানে জাতিসংঘের বাণিজ্য সংস্থার প্রধানের দায়িত্ব সামলানো রেবেকা গ্রিনস্প্যান। এছাড়া, আছেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশেলেত, ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসাও, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল'সহ বেশ কয়েকজনের নাম।

তবে রদ্রিগেস বার্কেট ও রেবেকা গ্রিনস্প্যানকে ঘিরে সদস্য দেশগুলোর আগ্রহ বেশি। ৫২ বছর বয়সী রদ্রিগেজ বার্কেট গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। জাতিসংঘের শীর্ষ পদে নির্বাচিত হলে সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর তিনি।

অন্যদিকে, মহাসচিব পদে প্রচারণার জন্য ইতোমধ্যে জাতিসংঘের বাণিজ্য সংস্থার প্রধানের পদ থেকে ছুটি নিয়েছেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান। তার মতে, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গড়া জাতিসংঘ নিজেই ভয়ভীতি কবলিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মুখ্য ভূমিকা পালন করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। পরিষদের ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে প্রার্থীকে অন্তত ৯টি ভোট পেতে হবে। শুধু তাই নয়, ভেটো প্রধানকারী কোনো রাষ্ট্রের ভেটো পেলেই মহাসচিব হওয়ার স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে প্রার্থীদের। নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটি শেষে অনুমোদনের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম পাঠানো হবে সাধারণ পরিষদে।

এসএইচ