গঙ্গা চুক্তি নবায়নে বিহারের উদ্বেগ মেটানোর আশ্বাস এস জয়শঙ্করের

ফারাক্কা ব্যারেজ
বিদেশে এখন
0

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আশ্বাস দিয়েছেন, বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি ও ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে বিহার রাজ্যের যেসব উদ্বেগ রয়েছে, তা চলতি বছরের শেষ নাগাদ চুক্তি নবায়নের সময় বিবেচনা করা হবে। বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ও পানিসম্পদমন্ত্রী বিজয় কুমার চৌধুরী গতকাল (শনিবার, ২২ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার চৌধুরী ও জেডিইউর সংসদ সদস্য সঞ্জয় কুমার ঝা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনসহ পররাষ্ট্র, জলশক্তি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজয় কুমার চৌধুরী বলেন, তিন দশক আগে যখন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সই হয়েছিল, তখন বিহারের স্বার্থকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধে যে পানি পৌঁছায়, তার সিংহভাগই আসে বিহারের নদীগুলো থেকে। কিন্তু বিহার নিজের প্রয়োজনে পানীয় জল, সেচ ও শিল্প খাতের ব্যবহারের জন্য ন্যায্য হিস্যা পায়নি।’

বৈঠকে নেপালের কোসি ও অন্যান্য নদীতে উচ্চ জলাধার ও বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়। নেপালের বিরাটনগরে ২০০৪ সালে স্থাপিত যৌথ প্রকল্প কার্যালয়ে (জেপিও) বিহারের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়েও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন। বর্তমানে এই কার্যালয়ে কেবল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও নেপালের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী জানান, বৈঠকে রাজ্যের ঝুলে থাকা সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পগুলো নিয়েও কথা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে এসব খাতের জন্য বিশেষ সহায়তা দেয়া হয়েছে। কোসি-মেচি সংযোগ প্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্পের প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

এএম