ইউরোপের অভিবাসন নীতি: ডেনমার্কসহ পাঁচ দেশের বৈঠক, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকা
বিদেশে এখন
0

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে ফেরত কেন্দ্রে (রিটার্ন হাব) বৈধ কাগজপত্রহীন অভিবাসীদের পাঠাতে ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার প্রত্যাশা করছে ডেনমার্ক। এ ধরনের অবকাঠামো চূড়ান্ত করতে জোটের পাঁচটি দেশ কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

এ বিষয়ে অগ্রগতি পর্যালোচনায় শুক্রবার কোপেনহেগেনে বৈঠকে বসছেন গ্রুপ অব ফাইভ নামে পরিচিত দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা। ডেনমার্কের অভিবাসন ও সংহতিবিষয়ক মন্ত্রী মর্টেন বোদসকভ এ বৈঠকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস ও গ্রিসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। ইইউর বাইরে কোনো তৃতীয় দেশের সঙ্গে ফেরত কেন্দ্র চালুর বিষয়ে জোটের প্রথম অংশীদারি চুক্তি চূড়ান্ত করার পদক্ষেপ নিয়ে দেশগুলো একমত হওয়ার চেষ্টা করবে।

এক বিবৃতিতে বোদসকভ জানান, ইইউর বাইরে ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের কাজে তারা অনেক দূর এগিয়েছেন এবং আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন তারা লক্ষ্যের কাছাকাছি রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এর অর্থ হলো, আগামী বছরের শেষ নাগাদ একটি অংশীদার দেশে প্রথম দফায় বিদেশি নাগরিকদের পাঠানোর বিষয়ে ডেনমার্ক প্রস্তুত হবে বলে আমরা আশা করছি।’ তবে কোন বা কোন কোন দেশের সঙ্গে এই পাঁচ রাষ্ট্র অংশীদারি করবে, তা প্রকাশ করেননি তিনি।

এর আগে জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের সংস্কার প্রস্তাব অনুমোদন করে। দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা এবং সদস্যদেশগুলোকে দেশের বাইরে বন্দিশিবির বা কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ করে দেওয়াই ছিল এর লক্ষ্য। তবে সমালোচকদের ভাষ্য, এতে আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

এদিকে ইউরোপ মহাদেশজুড়ে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করা অ-ইইউ সংস্থা কাউন্সিল অব ইউরোপ গত জুলাইয়ে এ বিষয়ে সতর্কতা জানায়। সংস্থাটির মতে, বিদেশি নাগরিকদের তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর বন্দোবস্ত এবং এই ধরনের ফেরত কেন্দ্র স্থাপন বড় ধরনের মানবাধিকার ঝুঁকি তৈরি করবে; যার মধ্যে নির্যাতন ও খেয়ালখুশিমতো আটকে রাখার আশঙ্কা রয়েছে।

এএম