আসিয়ান কাপের মঞ্চে নামার আগেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি বাংলাদেশ। একদিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, অন্যদিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের ইনজুরি। এর মাঝেই অল্প সময়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের ফিটনেস ফিরে পেতে চলছে কঠোর প্রস্তুতি।
কোচ থমাস ডুলি বলেন, ‘আমরা বাস্তবতা বিশ্বাসী। আমরা আসিয়ান কাপে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলবো। আমি চেষ্টা করবো দলের সেরাটা বের করে আনার জন্য।’
সোহেল রানা, তপু জুনিয়র চোটে আছেন। ইনজুরি আছে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ারও। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই ফুটবলারকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট।
কোচ থমাস ডুলি বলেন, ‘সোহেলের ইনজুরি আছে। তপু জুনিয়রও কিছুটা ইনজুরড। জামালেরও ইনজুরি আছে, তাকে নিয়েও কোনো রিস্ক নিতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট। ২/৩ দিনের মধ্যে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারি, আরেকটা আগামী সপ্তাহে।’
তবে থামছে না প্রস্তুতি। দিনে দুই সেশনে চলছে ঘাম ঝরানো অনুশীলন। টানা আট সেশনেও বিশ্রাম মেলেনি ফুটবলারদের। লক্ষ্য একটাই অল্প সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচের উপযোগী ফিটনেস।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের মিডফিল্ডার সোহেল রানা বলেন, ‘আমরা যে দুই বেলা ট্রেনিং করতেসি এটা আমাদের কষ্ট হচ্ছে। অল্প সময়ে কিভাবে ফিটনেস ঠিক করা যায় সেটা নিয়ে কাজ চলছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার জন্য যে ফিটনেস দরকার সেটা নিয়ে কাজ চলছে।’
সকালে নিজেদের মধ্যে অনুশীলন, সন্ধ্যায় টেকনিক্যাল কাজ। ভুলগুলো শুধরে দেয়ার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা খুঁজতে চলছে ভিডিও সেশনও।
সোহেল রানা আরও বলেন, ‘আসিয়ান কাপকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি। টিম হিসেবে দলগুলো কেমন সেটা আমাদের জানা আছে। আমরা তাদের দুর্বলতা নিয়ে কাজ করছি। ভিডিও সেশনগুলোতে এসব নিয়ে কাজ করছে।’
ইনজুরি আর সময়ের চাপ দুই বাধাই সামনে। তবুও মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা বাংলাদেশ দলের। কারণ সোহেলের বিশ্বাস ভালো ফুটবল খেলতে পারলে কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও খুলে যেতে পারে জয়ের দরজা।





