২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলাকে ‘গণহত্যা’ উল্লেখ করে তার নিন্দা জানান কাতারের প্রধানমন্ত্রী। তবে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ অন্যায্য আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, হাসপাতালে হামলা চালানো হয়েছে, স্কুলে হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তি যা-ই দেয়া হোক না কেন, কোনো কিছুই এ ধরনের তাণ্ডবকে সমর্থন করে না।
তিনি জানান, যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই কাতারের মধ্যস্থতার চেষ্টাকে নস্যাৎ করে আসছে ইসরাইল। গত ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করে নতুন করে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এমনকি গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা তারা নতুন করে সামরিক দখলে নিয়েছে এবং চুক্তি অনুযায়ী নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে না।
গত ২০২৫ সালে কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনায় বসা শীর্ষ হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার কড়া সমালোচনা করেন শেখ মোহাম্মদ। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় মধ্যস্থতাকারী দেশের ভেতরেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরাইল, যা বিশ্বের ইতিহাসের যেকোনো যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নজিরবিহীন। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু সব সীমা অতিক্রম করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতা করছে জানিয়ে কাতারের প্রধানমন্ত্রী সংকট সমাধানের তিনটি উপায় তুলে ধরেন। এগুলো হলো—ইরানের জন্য শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির অধিকার নিশ্চিত করা ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচলের সুযোগ রাখা এবং জিসিসি সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে ইরানের অনাক্রমণ ও অনাগ্রাসন চুক্তি সম্পাদন করা।





