ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, বিরোধীরা চীন ও রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে বলে যেসব দাবি করছে, তা তার নজরে এসেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তারা কিছু করেও থাকে, তবে তা অত্যন্ত সীমিত পর্যায়ের। তবে আমি একেবারেই বিশ্বাস করি না যে তারা কোনো সাহায্য করছে। তাদের হারানোর অনেক কিছু রয়েছে। আর তেমন কিছু ঘটলে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই তা জেনে যাব।’ এর আগে গত জুলাইয়েও ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, এই যুদ্ধে জড়িত হওয়া বেইজিং ও মস্কোর জন্য ‘অত্যন্ত ক্ষতিকর’ হবে।
চলমান ইরান যুদ্ধে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভূমিকাকে ‘নিরপেক্ষ’ বলে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। যদিও তেহরানের সঙ্গে মস্কো ও বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরকালে তাকে ইরানকে কোনো ধরনের সহায়তা না দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন ট্রাম্প। সে সময় চীন এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছিল।
ইরানকে চীনের কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরবরাহ কিংবা তেল বিক্রির ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া গত জুলাইয়ে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার আগে ইরানি বাহিনী চীনের স্যাটেলাইট ছবি সংগ্রহ করেছিল বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, ট্রাম্প তা-ও নাকচ করে দেন।





