এবার হামলার শিকার হলো সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। হামলায় সৌদি এক নাগরিকসহ হতাহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুতর আহতদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলায় বিমানবন্দরের অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে এ বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে বুধবার সৌদি আরবের রাষ্ট্রয়াত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর সায়বাহ তেলক্ষেত্রের অবকাঠামোয় ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হয়। আঘাত হানার আগেই ড্রোনটি শনাক্ত করে তা প্রতিহত করে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে প্রাণ গেছে দুইজনের। আহত হয়েছে আরও দুইজন।
সৌদি জোট ও ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে সম্প্রতি রাজধানী রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলো একের পর এক হামলার কবলে পড়ে। গেল ১০ ও ১১ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরপর দুইদিনের নিহত হয় অন্তত ২৩ জন। আহত হয় তিনশোর বেশি মানুষ।
এমন অবস্থায় সৌদি আরবে অবস্থিত মিশনগুলো থেকে কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এই অঞ্চলে থাকা আরও বেশ কয়েকটি মার্কিন মিশন থেকেও পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া, রিয়াদে হুথিদের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে একটি নিরাপত্তা সতর্কতাও জারি করেছে রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস।
ইয়েমেনের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখা নিয়ে হুথিদের সঙ্গে তুমুল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সরকারী বাহিনী। হুতিদের বিভিন্ন স্থাপনায় একের পর এক অভিযান চালাচ্ছে সৌদি জোট। যার বিপরীতে হুথিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে সৌদি ভূখণ্ডের বিমানবন্দর, জ্বালানি স্থাপনাসহ বেসামরিক অবকাঠামো।





