শুক্রবার নাইরোবির ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ইস্টলিতে ভবনটি তাসের ঘরের মতো হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। এলাকাটি সব সময় হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও পথচারীর উপস্থিতিতে মুখর থাকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধসে পড়া ভবনটি ১০ তলার বেশি উঁচু করে নির্মাণ করা হচ্ছিল। ধ্বংসস্তূপ থেকে শনিবার উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিপচুম্বা মুরকোমেন জানিয়েছিলেন, ভবন ধসের ঘটনায় সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছেন উদ্ধারকর্মীরা। তবে কেনিয়া রেড ক্রসের দুর্যোগবিষয়ক কর্মকর্তা ভিনসেন্ট ওচিয়েং জানান, তাদের কাছে ৩১ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। এই তালিকাটি তারা যাচাই করে দেখছেন। ভবনটি ধসে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে কিছু শ্রমিক সেখান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে যেতে পেরেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের অবস্থান শনাক্ত করতে অনুসন্ধানী কুকুর ও থার্মাল সেন্সর ব্যবহার করছেন উদ্ধারকর্মীরা। কেনিয়া সরকারের মুখপাত্র চার্লস ওউইনো জানান, ভবনটির মূল মালিক আগেই মারা গেছেন। বর্তমানে তার পরিবার এবং অপর একটি পক্ষ নির্মাণকাজের দায়িত্বে ছিল।
এদিকে দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে সংলগ্ন এলাকার সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে না পারার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।





