ইসরাইলের স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ১৩-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউসেফ জাবারিন বলেন, ‘যারা নেতানিয়াহুর রক্তক্ষয়ী সরকারের বাস্তব ও প্রকৃত বিকল্প গড়তে চায়, ইসরাইলি জনসাধারণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের পথ তৈরি করতে তাদের অবশ্যই আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’ রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘হয় বর্ণবাদ, ধারাবাহিক বঞ্চনা ও শ্রেষ্ঠত্বকামী নীতি অব্যাহত থাকবে, নয়তো গড়ে উঠবে সত্যিকারের ইহুদি-আরব অংশীদারত্ব।’
পৃথকভাবে সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেটকে দেয়া বক্তব্যে জাবারিন জানান, নিজেদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধকে এগিয়ে নিতে তারা রাজনৈতিক শক্তিকে পুরোপুরি কাজে লাগাবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু, বেন-গভির ও স্মোট্রিচের সরকারকে হটিয়ে তাদের ঘরে পাঠিয়ে দেয়ার পথ তৈরি করতে আমরা প্রস্তুত।’
দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত ৭৬ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট গণনা শেষে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোট পেয়েছে ৫৪টি আসন। অন্যদিকে ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৭টি আসন। নির্বাচনে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়ে আরব দল দুটি রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে। এর মধ্যে জয়েন্ট লিস্ট ১৩টি এবং রাম পার্টি ৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
নির্বাচনের এই ফলাফল স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পরবর্তী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব-সংখ্যাগরিষ্ঠ দলগুলোই কার্যত নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছে। কারণ নাফতালি বেনেটের বি’ইয়াহাদ, আভিগদোর লিবারম্যানের ইসরাইল বেইতেনু এবং ইয়াইর গোলানের ডেমোক্র্যাটস দল নিয়ে গঠিত আইজেনকটের জায়নবাদী বিরোধী জোটের পক্ষে আরব দলগুলোর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন ছাড়া পার্লামেন্টে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা (ন্যূনতম ৬১ আসন) নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।





