তাইওয়ান প্রণালীর বুকে ২৪০০ টন ওজনের কোস্টগার্ড জাহাজ সিজি ১০০৫। এ জাহাজের প্রথম সহকারী ইয়ে চিহ-শেং। শুধু ইউনিফর্ম আর আদেশ নয়, তার সাথে রয়েছে মন্দিরের রক্ষাকবজ। যা জেলেদের আর নাবিকদের সকল বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে।
পেংহু দ্বীপে জন্ম ইয়ে’র। ছোটবেলা থেকেই তিনি পাঁচ প্রভুর মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত। ছুটি পেলেই তিনি সেই মন্দিরে সহকারী পুরোহিতের দায়িত্ব পালন করেন। অবশ্য তার ভাষ্য, সমুদ্রের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই বিশ্বাসই তাকে ধীরস্থির রাখে।
ইয়ে আরও বলেন, চীনের যুদ্ধজাহাজ ও কোস্ট গার্ড বারবার মধ্যবর্তী রেখা অতিক্রম করে প্রায়ই তাইওয়ানের ২৪ নটিক্যাল মাইলের কাছাকাছি চলে আসে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে শান্ত রাখার পাশাপাশি কোস্টগার্ডের উস্কানি না দেয়ার নীতি মেনে চলার চেষ্টা করেন । পাশাপাশি টহলে যাওয়ার সময় মন্দির থেকে আনা কবজ ও আদেশ ফলক সঙ্গে থাকায় মানসিকভাবে অনেক শান্তিতে থাকেন এই কোস্টগার্ড।
ইয়ে চিহ-শেং বলেন, ‘আমি যখন দায়িত্ব পালনে যাই, চীনের কোস্ট গার্ডের হয়রানিকে আমি ভয় পাই না। তাইওয়ানের কোস্টগার্ডের নির্দেশ মেনে ধীরস্থিরভাবে কাজটি করি। এই আত্মবিশ্বাস আসে আমার বিশ্বাস থেকে।’
অবশ্য ফ্রন্টলাইনে চাপ বাড়লেও ইয়ে’র বিশ্বাস, দেবতাদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও নিয়ম মেনে কাজ করলেই সাহস থাকে প্রতিটি মানুষের। তবে চীন-তাইওয়ান দ্বন্দ্ব যতই বাড়ুক, ইয়ের মতো কর্মকর্তারা যে আবেগ আর কর্তব্যের মেলবন্ধনে টিকে আছেন, তা বলাই বাহুল্য।





