এর আগেই স্টারমারের প্রধান স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনি পদত্যাগ করেন। সঙ্গে সোমবার তার কমিউনিকেশনস চিফ টিম অ্যালেনও পদত্যাগ করেছেন। মূলত পিটার মান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত করার জন্য স্টারমার সমালোচিত হচ্ছেন। এপস্টেইনের সঙ্গে পিটারের সম্পৃক্ততা ছিল।
স্টারমার তার স্টাফদের বলেছেন, নিজেদের রাজনীতিতে ভালো শক্তি হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, আত্মবিশ্বাসী হয়ে দেশ পরিবর্তনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এরই মধ্যে তিনি নিজে পদত্যাগের পরিকল্পনা করছেন না বলে জানিয়েছেন তার মুখপাত্র।
আরও পড়ুন:
এদিকে এ পরিস্থিতিতে ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার ডেভিড ল্যামি এবং চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভসসহ লেবার পার্টির কিছু সিনিয়র সদস্য স্টারমারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু কনজারভেটিভ নেতা কেমি ব্যাডেনক তাকে সরকার চালাতে অক্ষম হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
স্টারমার পরবর্তীতে পার্লামেন্টারি লেবার পার্টির বৈঠকে মান্ডেলসনের নিয়োগ নিয়ে উঠা ক্ষোভের বিষয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।





