ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ উত্তেজনার আঁচ লেগেছে আটলান্টিকের তীরের দেশ আয়ারল্যান্ডে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর অবস্থানে বিশ্বে বিভিন্ন দেশের মতো আয়ারল্যান্ডেও হু হু করে বাড়ছে তেল ও গ্যাসের দাম। সরবরাহ ঘাটতিতে বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের দাম লাগামহীন হয়ে পড়ায় ধুঁকছে ইউরোপের এই দ্বীপরাষ্ট্রটি।
জ্বালানি খাতের প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর হওয়ায় চলমান সংকটে বেড়েছে ভোক্তা ব্যয়। জীবনযাত্রায় যুক্ত হয়েছে বাড়তি খরচের বোঝা। কারণ কেবল যাতায়াত নয়, প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের দামেও। পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় খাদ্যদ্রব্যের দামও এখন আকাশচুম্বী।
আরও পড়ুন:
প্রবাসী বাংলাদেশের মধ্যে একজন বলেন, ‘গাড়ি আমাদের ব্যবহার করতে হয় কাজে যাওয়ার জন্য এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আমরা চেষ্টা করছি যত কম গাড়ি ব্যবহার করা যায়।’
অন্য একজন বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের জীবনযাত্রার ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় যত জিনিসপত্র আছে, এগুলোর দাম ৮-১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যবসায়ী হিসেবে আমাদের টিকে থাকা মুশকিল।’
ভোক্তাদের খরচের এই বাড়তি চাপ নিয়ে সরকার গভীরভাবে সচেতন বলে জানিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের জলবায়ু, জ্বালানি ও পরিবেশ মন্ত্রী ডারা ও’ব্রায়েন। এরইমধ্যে জনগণের ওপর তৈরি হওয়া চাপ কমাতে এপ্রিলের প্রথম দিন থেকেই শুল্ক স্থগিত করেছে ন্যাশনাল অয়েল রিজার্ভ এজেন্সি। এতে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম যথাক্রমে ২২ সেন্ট এবং ১৭ সেন্ট কমবে। এই সুবিধা আগামী পহেলা জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
এছাড়াও আমদানিকৃত জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ত্বরান্বিত এবং বিদ্যুৎ গ্রিড ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আইরিস সরকার।





