বিদেশের মাটিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে সাফল্যের চিহ্ন রেখে যাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কাতারের সুক আলী, সুক ওয়াকিফ, সুক আল ওয়াকরা অঞ্চলে প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সাফল্য চোখে পড়ার মতো। ভিনদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তারা। গড়ে তুলেছেন নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
ভিন্ন প্রজাতির রঙিন-বেরঙের তোতাপাখি, লাভবার্ড, কোকাটেল, ঘুঘু, কবুতর, পাখি ছাড়াও খরগোশ, বিড়ালের মতো ছোট পোষা প্রাণী ও খাঁচাসহ পাখির যাবতীয় খাবার ও সরঞ্জাম বিক্রি হয় দোকানগুলোতে। পাশাপাশি অ্যাকুরিয়ামের নানা ধরনের গোল্ডফিশ, অ্যারোয়ানা ফিশ, অস্কার ফিশ, গাপ্পি ফিশ, অ্যাঞ্জেল ফিশ, ফ্লাওয়ারহর্ন ফিশ, টাইগার শার্ক মাছ, অ্যাকুরিয়ামে বিক্রি করা হচ্ছে কচ্ছপও।
প্রবাসীদের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই আয়ের বড় একটা অংশ রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে প্রেরণ করে বলে জানালেন প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমাদের এইখানে পাখির প্রচুর চাহিদা আছে। পাখিও আছে এবং সঙ্গে মাছ পেট শপ, মাছ আছে এবং বিড়ালের খাবার আছে। এটা হচ্ছে সিঙ্গাপ, সিঙ্গাপ তৈয়ার। আমাদের বাংলাদেশে বলে যে এটা কাঠবিড়ালি। ম্যাক্সিমাম দোকানপাট যারা এটার সঙ্গে জড়িত, তারা হচ্ছে বাংলাদেশি।’
একসময় কাজের সন্ধানে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন দেশটিতে। আর এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০০ বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।
কাতার প্রবাসী ব্যবসায়ী খুরশিদ আলম ভূইয়া বলেন, ‘এই ব্যবসাতে আমাদের বাংলাদেশিদের অনেক সম্ভাবনাময় দিক এখানে। এখানে প্রায় ২০০-রও অধিক লোক এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছে কাতারে। তার মাঝে আমি একমাত্র বাংলাদেশি যে আমি ইম্পোর্ট করি।’
কাতারে বাংলাদেশিদের মালিকানাধীন ৩০ হাজারের বেশি ছোট বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এইসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এক লাখেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি। সব মিলিয়ে বর্তমানে সাড়ে চার লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় কর্মরত রয়েছেন দেশটিতে।





