ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা: আদালতে ২ যুবকের স্বীকারোক্তি

আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবেন না আইনজীবীরা

ময়মনসিংহ
শিশু নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দুই আসামি
এখন জনপদে
আইন ও আদালত
1

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছর বয়সী শিশু নিছামনিকে গণধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি আরিফ ও রাকিব নামের দুই যুবক। আজ (মঙ্গলবার, ১৬ জুন) দুপুরে তাদের আদালতে আনা হয়। জবানবন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দ্রুত প্রতিবেদন দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে আসামিদের পক্ষে যেন কোনো আইনজীবী না দাঁড়ায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান আইনজীবী নেতারা। কঠোর নিরাপত্তায় ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫ বছরের শিশু নিশামনিকে গণধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যার আসামি আরিফ ও রাকিবকে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে আনা হয়।

পরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তনয় সাহার আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয় আসামিরা। রাত সাড়ে ৯টায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

শিশু নিছামনিকে কদম ফুল দেয়ার কথা বলে ডেকে নির্জনস্থানে নিয়ে আরিফ ও রাকিবসহ চারজন মিলে ধর্ষণের পর রক্তাক্ত অবস্থায় কংশ নদে ফেলে দেয়। গ্রেফতারকৃত দুই আসামিরা স্বীকারোক্তিতে ওঠে আসে নৃশংসতার লোমহর্ষক চিত্র। আদালতে দ্রুত পুলিশ রিপোর্ট দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন তারা।

এদিকে বুকের ধন হারানো স্বজনদের কান্না থামছেইনা। নির্মমতার বিচার যেন নির্মমভাবেই হয় এটাই চাওয়া তাদের। এছাড়া রামিসা হত্যার বিচারের মতো নিছামনি হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার দাবী করে আসামির পক্ষে যেন কোনো আইনজীবী না দাড়ায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান নেতারা।

গত রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার টাংঙ্গাটি গ্রামের ৫ বছরের শিশু নিছামনি নিখোঁজের পর বাড়ির পাশের কংস নদী থেকে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। দাফনের জন্য গোসল করানোর সময় ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি ধরা পড়ে।

এএইচ