নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নির্বাচন ও পরবর্তী পরিস্থিতি নানা প্রশ্ন করা হয়। নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানো নিয়ে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক স্পষ্ট করেন সংস্থাটির আইনি সীমাবদ্ধতার কথা। তিনি জানান, কোনো দেশে পর্যবেক্ষক পাঠাতে হলে জাতিসংঘের প্রধান শাখাগুলোর অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।
স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘের প্রধান শাখাগুলোর অনুমোদন ছাড়া নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানোর নিয়ম নেই। তবে বাংলাদেশের নিযুক্ত জাতিসংঘ অফিস সরকারকে সব ধরনের কারিগরি সহায়তা করে যাবে। যেন নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়।’
মুখপাত্র আরও জানান, সরাসরি পর্যবেক্ষক না থাকলেও ‘ব্যালট’ প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করছে জাতিসংঘ। যেখানে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা বাড়ানো, সংখ্যালঘু, নারী ও তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং অপতথ্য বা ‘হেট স্পিচ’ মোকাবিলায় জোর দেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘের নির্বাচনি পর্যবেক্ষণের মধ্যে আছে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছতা ও জাবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। সদস্য সব রাষ্ট্রের প্রতি জাতিসংঘের আহ্বান থাকবে তারা যেন আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করে।’
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নির্দেশে হত্যাযজ্ঞ এবং সাজা নিয়ে জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র জানান, বিচারিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ জাতিসংঘের কাজ নয়।
স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘বাংলাদেশের বিচারিক প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। হাইকমিশন এবং মানবাধিকার সংস্থা এ বিষয়ে পরিষ্কার করে সবকিছু প্রকাশ করেছে।’
এছাড়া নির্বাচনের বৈধতা বা ফলাফলের বিষয়ে জাতিসংঘ কোনো মন্তব্য করবে না বলেও জানান তিনি।





