পৌষের সকালে যে পাতায় শিশির থাকার কথা সেখানে জমেছে ধুলো। বেলা গড়ালে ধুলো ঝরে। ভারী হয়ে ওঠে নগরীর বাতাস।
পথচারীরা জানান, যে রাস্তায় বের হন প্রতিটি রাস্তায় ধুলো। তারা এর সমাধান চান। রাস্তাঘাট ভাঙা, বৃষ্টি নেই শীতকাল তাই আরও ধুলোবালি বেশি শহরজুড়ে
শীত এলেই মহানগরীর এমন চিত্র নিত্যদিনের। ধুলোর সঙ্গেই যেন সহাবস্থান নগরবাসীর। আর তাতে ভাসছে ক্ষতিকর সব কণা, যা ভোগাচ্ছে নগরবাসীকে।
ধুলোর এ আস্তরণ রাজধানীকে ক্রমেই নিয়ে যাচ্ছে দূষণের শীর্ষ নগরীতে। আইকিউএয়ারের তথ্য বলছে ডিসেম্বর ও চলতি মাসে রাজধানীর বাতাস অস্বাস্থ্যকর থেকে অতি অস্বাস্থ্যকর। যার প্রভাব পড়েছে স্বাস্থ্যে।
আরও পড়ুন:
অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন বলেন, ‘এসময় অ্যাজমার রোগী, শ্বাসকষ্টের রোগী বেড়ে যায়। এ মুহুর্তে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডা, অ্যাজমা, অ্যালার্জির রোগী বেশি পাবেন। বাচ্চাদের মধ্যে এর প্রভাব সব থেকে বেশি পড়ে।’
অভিযোগের তীর নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের দিকেও। কাজে মানা হচ্ছে না পরিবেশবিধি। এ বেহাল অবস্থার দায় সিটি করপোরেশনসহ নীতি নির্ধারকদের ওপর চাপাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, ‘ঢাকা শহরে সব থেকে বেশি নির্মাণ কাজের জন্য ধুলো হয়। এগুলো ঢাকা শহরের বায়ুকে দূষিত করে। আমাদের এ বিষয়ে নীতিমালা আছে অর্থাৎ আমি যখন কাজ করবো কীভাবে কাজটি করবো, ধুলো কীভাবে কমাবো সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা আছে। তবে আমরা দেখি ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় এর কোনো কিছুই মানা হয় না।’
সংস্কার ও নির্মাণ নীতির বাস্তবায়ন, আর নগর পরিকল্পনাকারীদের সমন্বিত ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ রাজধানীর বাতাসকে নির্মল করে তুলবে এমন প্রত্যাশা এ পরিবেশবিদের।




