‘সমুদ্র সম্পদ-উপকূলীয় উন্নয়নে পরবর্তী সরকারের জন্য রোডম্যাপ প্রস্তুত করছে অন্তর্বর্তী সরকার’

বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন
দেশে এখন
1

সমুদ্র সম্পদ ও উপকূলীয় উন্নয়নে আগামী নির্বাচিত সরকার যাতে কাজ করতে পারে, সেজন্য অন্তর্বর্তী সরকার সুসংগঠিত রোডম্যাপ প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

আজ (মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত একটি সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

আগামী নির্বাচিত সরকার যেন সমুদ্র সম্পদ ও উপকূলীয় উন্নয়ন নিয়ে কাজ করতে পারে সে লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ব্লুপ্রিন্ট’ প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছেন বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

‘নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান ওশান রিজিওনাল ডায়ালগ অন সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমি, কানেক্টিভিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটস’ শীর্ষক এ সংলাপে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশ ভূমি নিয়ে যতটা ভাবছে, সমুদ্র নিয়ে ততটা ভাবছে না। অথচ টেকসই ব্লু ইকোনমি গড়ে তুলতে হলে গভীর সমুদ্র সম্পদ, মৎস্য, জীববৈচিত্র্য এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সে লক্ষ্যেই পরবর্তী সরকারের জন্য একটি সুসংগঠিত রোডম্যাপ রেখে যেতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার।’

আরও পড়ুন:

তিনি জানান, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর ভারত মহাসাগর বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম কেন্দ্র। বিশ্বের মোট বাল্ক কার্গোর এক-তৃতীয়াংশ এবং তেলের দুই-তৃতীয়াংশ পরিবহন হয় এ অঞ্চলের সমুদ্রপথে। এ অঞ্চলে বসবাস করছে প্রায় ২৯০ কোটি মানুষ।

বক্তারা বলেন, ভারত মহাসাগরের ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে। পাশাপাশি জাপানের মতো দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তাও এ অঞ্চলের সমুদ্রপথের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল।

সংলাপে মহেশখালীকে আধুনিক উপকূলীয় নগর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলা হয়, অঞ্চলটিতে ডিপ সি পোর্ট ও লজিস্টিকস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, শিল্প ও উৎপাদন, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও টাউনশিপ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

এসএইচ