কুমিল্লায় পরিবর্তনের বার্তা: প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রত্যাশা

কুমিল্লা শহর
দেশে এখন
0

কুমিল্লায় নির্বাচিত ১১ জন সংসদ সদস্যর মধ্যে ছয়জনই নতুন। বাকী পাঁচজন একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন, ছিলেন মন্ত্রীও। ভোট শেষে চাওয়া আর অগ্রাধিকারের পূরণের প্রত্যাশা কুমিল্লার মানুষের।

কুমিল্লায় ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি বয়ে গিয়েছিল প্রার্থীদের সভা–সমাবেশে। শেষ হয়েছে ভোট, গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরছে সরকার। ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখবেন তো নির্বাচিতরা?

সুশাসন, উন্নয়নের সুষম বণ্টন এবং নাগরিক সেবার জটিলতা নিরসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চায় কুমিল্লার মানুষ। শিল্পায়নে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং কৃষি ও গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে পিছিয়ে যাওয়া কুমিল্লাকে কতটুকু সামনে নিতে পারবেন নির্বাচিতরা- তাই এখন দেখার পালা।

স্থানীয়রা জানান, সবাই ভালোভাবে দেশ পরিচালনা করবে, কৃষকদের কাজে ভর্তুকি দিবে এই প্রত্যাশা তাদের। ভোটারদের একটি বড় অংশ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। দেশকে এগিয়ে নিতে তাদেরকেও আনতে হবে স্বাবলম্বী মানুষের সারিতে।

আইসিটি, শিল্প, কৃষি, মৎস্য খাতের বিকাশ ও মাঠ পর্যায় থেকে রপ্তানি সুযোগ কাজে লাগাতে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব বিশ্লেষকদের।

বার্ড পল্লী প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগ পরিচালক ফৌজিয়া নাসরিন সুলতানা বলেন, ‘প্রসেস করে পরিবর্তন করতে হবে। এ জায়গাতে আমি মনে করি তারা কাজ করতে পারেন এবং যদি প্রয়োজন হয় আমরা সবাই মিলে সহযোগিতা করবো। আমি মনে করি বার্ড এবং আরডিএ আমাদের অনেক ভালো অবস্থান আছে আমরা কাজ করে সরকারকে সহযোগিতা করতে পারি।’

আরও পড়ুন:

কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড ভাইস প্রেসিডেন্ট জামাল আহমেদ বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের বক্তব্য হলো কর নীতি, আমদানি-রপ্তানি নীতি এগুলোসব দীর্ঘমেয়াদি নীতি করতে হবে। এ নীতির ঘন ঘন পরিবর্তন করা যুক্তিসংগত নয়। ব্যবসার জন্য ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, বিনিয়োগ সহজভাবে পাওয়ার জন্য সরকারের ভূমিকা পালন করতে হবে।’

শিগগিরই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখবে কুমিল্লাবাসী, বলছেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।

কুমিল্লা-১ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘কুমিল্লা বিভাগ হবে এবং কুমিল্লার নামেই হবে। আমরা জনসভায় বলেছি। আমাদের দলের থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া আছে।’

কুমিল্লা- ৬ সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার আগে এ অঞ্চলে পরিবর্তন আগে হয়নি। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো।’

নির্বাচনের উত্তাপ পেরিয়ে এখন সময় বাস্তব কাজের। জনপ্রতিনিধিরা কতটা দ্রুত জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছে কুমিল্লার মানুষ।

এফএস