ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন তিনি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তিনি আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে দেশের চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য আন্দোলনে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয় বলে বিভিন্ন মহল থেকে মন্তব্য করা হয়।
এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর জন্য ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেছে সরকার। আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন:
এবারের তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর এ সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।
পুরস্কারের জন্য মনোনীত অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ
মুক্তিযুদ্ধ: মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম।
চিকিৎসাবিদ্যা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সংস্কৃতি: এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন বশির আহমেদ।
সাহিত্য: ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)।
ক্রীড়া: জোবেরা রহমান লিনু।
সমাজসেবা/জনসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, এস ও এস চিলড্রেন ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া।
জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)
পল্লী উন্নয়ন: পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
পরিবেশ সংরক্ষণ: আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এ পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং সম্মানির চেক পেয়ে থাকেন।





