মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাড়ির প্রধান মহিলারাই এই ফ্যামিলি কার্ডটা পাবেন। তিনি এই কার্ডটা কি কাজে ব্যবহার করবেন সেটা পরের ব্যাপার, কিন্তু উনার হাতে একটা কার্ড থাকবে। এটা হচ্ছে সোজা হিসাব যেটা আমি বললাম মহিলাদের ক্ষমতায় করা, তার হাতে একটা অস্ত্র তুলে দেয়া যে আমার শক্তি আছে, আমার ফ্যামিলি কার্ড আছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখানে কাজ করতে আসছি, কাজ করবো। যদি দেখা যায় কেউ কোনো দুর্নীতির সাথে জড়িত হয়েছে, তার কোনো ক্ষমা নাই। আমরা কোনো ক্ষমা করবো না, এ ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা নতুন করে শুরু করি, আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে, পেছনে ফিরে আর না তাকাই। সামনের দিকে তাকিয়ে সামনের দিনগুলো কি করে সুন্দর করা যায়, কি করে আমরা ভালো করে বাস করতে পারি, কি করে বেঁচে থাকতে পারি। তাহলে আমরা সুন্দর একটা দেশ গড়তে পারবো।’
নির্বাচনে দেয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দ্রুত কাজ শুরু করেছি, আমি আসতে আসতে হিসাব করছিলাম কয়দিন হলো আমাদের সরকারে আসার, আমি দেখলাম ২২ দিন। এই ২২ দিনের মধ্যেই আমরা কিন্তু ফ্যামিলি কার্ড আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি। সেই সাথে আমরা ১০ হাজার টাকা সুদসহ কৃষি ঋণ মাফ করে দিয়েছি কৃষকদের। এটা ঘোষণা হয়ে গেছে এবং গেজেটও হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘খাল খনন শুরু হয়ে গেছে। আগামী ১৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই, উনার আব্বা জিয়াউর রহমান সাহেবের মত কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে তিনি খাল কাটতে শুরু করবেন। সারা বাংলাদেশে অসংখ্য খাল খনন শুরু হবে। এই খাল কেটে বর্ষার সময় যে পানিটা হয় সেই পানিটাকে আমরা জমা রাখবো। আর খড়ার দিনে যখন পানির অভাব হবে তখন এই পানিকে আমরা ব্যবহার করবো।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর দেশে কোনো আইনকানুন ছিলো না। ১৫ বছর যা খুশি তাই করে গেছে। টাকা ছাড়া কেউ কোনো কার্ডও পায়নি। আমরা যে ফ্যামিলি কার্ড দিলাম এজন্য কি কোনো টাকা-পয়সা দিতে হয়েছে? কাউকে কোনো টাকা দিতে হয়নি, টাকা দিতে হবেও না। আবারও বলছি প্রত্যেকটি মা এই ফ্যামিলি কার্ডটি পাবেন। সুতরাং অস্থির হওয়ার কিছু নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের এটাই মূল লক্ষ্য। প্রত্যেক মাকে ক্ষমতায়িত করতে চাই, শক্তি বাড়াতে চাই। এমনিতেই আমাদের মায়েরা সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করে। একটা পরিবারের জন্য তার সংগ্রাম সবচেয়ে বেশি।’
এসময় ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৫৯০ জন নারীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন মির্জা ফখরুল। অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলাম, রহিমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান হান্নু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।





